Feelings and Experience with Life and Nature

Popular Posts

Saturday, July 27, 2019

Nari o Purush | নারীওপুরুষ


Nari-Purush
নারীওপুরুষ

নারীওপুরুষ

নারীওপুরুষ হলো ঈশ্বরের  দান। ঈশ্বরের এই দান থেকে প্রকৃতির সৌন্দর্য আরো বেড়ে  গেছে। প্রকৃতির সংসার নারী-পুরুষকে নিয়ে সম্পূর্ণ হয়েছে। প্রকৃতিতে সব কিছু আছে  পশুপাখি, গাছপালা, নদী-নালা, জীবজন্তু, পাহাড়-পর্বত সমুদ্র জল কিন্তু প্রকৃতিতে নারী পুরুষ ছাড়া প্রকৃতি অসম্পূর্ণ। এটাকে সম্পূর্ণ  করার জন্য ঈশ্বর নারী ও পুরুষকে এই প্রকৃতিতে  পাঠিয়েছেন। নারী ও পুরুষের দাঁড়ায় সংসারে উন্নতি হসেছে, সংসারে আরো বড়ো হওয়ার ক্ষমতা পেয়েছে। প্রকৃতির দাঁড়ায় নারী-পুরুষ নতুন জীবন পেয়েছে। নারী পুরুষের জন্যই প্রকৃতিতে লোক সংখ্যা প্রচুর বেড়েছে,  নারী পুরুষ এমন যে এটা সবার মধ্যে ভেদাভেদ আছে।পশুপাখি,গাছপালা জীবজন্তু, মানুষজন সবার মধ্যে এই নারী-পুরুষের অস্তিত্ব আছে। কারণ এটা দিয়েই প্রকৃতি-পরিবেশ সংসারের প্রতিটি জিনিস সম্পূর্ণ হয়েছে। নারী ছাড়া পুরুষের কোন অস্তিত্ব নেই আর পুরুষ ছাড়া নারীর কোন অস্তিত্ব নেই। নারী ও পুরুষ দুজন দুজনের মধ্যে সম্পূর্ণ, কারণ নারী ছাড়া কোন সন্তান জন্ম গ্রহণ করে না আর পুরুষ ছাড়া কোন নারী গর্ভবতী হয় না। তাই ঈশ্বর  তাদেরকে পাঠিয়েছেন প্রকৃতিকে সম্পূর্ণ করার জন্য, তার সৌন্দর্যকে বাড়ানোর  জন্য আর এই জগতে নারী ও পুরুষের আবির্ভাব ঘটানোর জন্য।

lover, prem
প্রেম

               নারী পুরুষের মধ্যে জন্ম নিয়েছে প্রেম,  ভালোবাসা, যেটা দুজন দুজনকে কাছে আনার জন্য খুবই দরকার। এই ভালোবাসার মধ্যে দিয়ে নারী পুরুষের মধ্যে নানা ধরনের সম্পর্ক জন্ম নিয়েছে। এই ভালোবাসার মধ্যে দিয়ে সন্তান রুপে একটি নতুন প্রাণের জন্ম নেওয়ার আবির্ভাব ঘটেছে। এই আবির্ভাবের মধ্যে দিয়ে পরিবার, সংসার, নানা সম্পর্ক জন্ম নিয়েছে। ঈশ্বর নারী পুরুষকে এই ক্ষমতা দিয়েছে, যাতে নারী পুরুষ সুখের সংসার তৈরি করতে পারে। সুখে থাকতে পারে, ভালোবাসা দিয়ে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কটা কে ভরিয়ে রাখতে পারে। সুখে-দুঃখে সঙ্গে সাথে থাকতে পারে, একে অপরের প্রান হয়ে বাঁচতে পারে। এই দুটি প্রাণ যেন আর একটি নতুন প্রাণের জন্ম দিতে পারে, তাই জন্য নারী পুরুষের মধ্যে দিয়ে নানা সম্পর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

মা-বাবা, স্বামী-স্ত্রী, ভাইবোন,বন্ধু বান্ধবী এতো সম্পর্ক সৃষ্টি হয়েছে তার কোনো রকমের ধারণা করা যায় না।

এটা ঈশ্বরের সৃষ্টি নারী পুরুষের কোন জাতি নেই, কোনো ধর্ম নেই, শুধুমাত্র আছে নারী পুরুষ। কিন্তু  সমাজে নারী পুরুষের সাথে সাথে জাতি ধর্ম ও বেড়ছ। হিন্দু, মুসলমান,খ্রিস্টান, জৈন,শিখ, বৌদ্ধ নানা ধরনের জাতি ধর্মের মধ্যে নারী পুরুষকে ভাগ করেছে। ঈশ্বর তো কাউকে ভেদাভেদ করেননি, তাহলে আজকের সমাজে নারী পুরুষ ছাড়া কত রকমের জাতি ধর্ম রয়েছে। এটা শুধুমাত্র মানুষের ধারণা,চিন্তা, বুদ্ধি, বিচারের মধ্যে দেখা যায়। নারী পুরুষের মধ্যে দেখা যায় না। কিন্তু প্রকৃতির মধ্যে কী জাতি ধর্মের ভেদাভেদ আছে। পাখিপশু,গাছপালা জীবজন্তু, পাহাড়-পর্বত, নদী-নালা, সমুদ্র, জল,মাটি সূর্য এদের মধ্যে জাতি ধর্মের কোন ভেদাভেদ নেই। এটা শুধুমাত্র মানুষের ধারণা, বিচার, চিন্তা, বুদ্ধির  মধ্যে রয়েছে। আমি মুসলিম, তুমি হিন্দু, তুমি খ্রিস্টান আমি শিখ, আমি জৈন নানা ধরনের জাতি ধর্মের  ভেদাভেদ শুধুমাত্র মানুষের মনে, বিচারের,চিন্তায় ধারণার মধ্যে। ঈশ্বর তো শুধুমাত্র নারী পুরুষ কে সৃষ্টি করেছেন, কোন জাতি ধর্ম সৃষ্টি করেননি তো। যদি ঈশ্বর সৃষ্টি করতেন তাহলে এর প্রভাব প্রকৃতিতে ও থাকতো।

প্রকৃতির  মধ্যেও জাতি ধর্ম হয়ে থাকতো। আমরা এটা ভুলে গেছি যে, আমরা ঈশ্বরের দান। কিন্তু আমরা তাকে ঠিক করে রাখতে পারলাম না। তার জন্য যে নারী পুরুষের দাঁড়ায় জগৎ সৃষ্টি হয়েছিল, সেই নারী পুরুষের দাঁড়ায় জগৎ  ধ্বংসের পথে যাচ্ছে। নারী-পুরুষের মধ্যে ভালোবাসা কমে গিয়ে, জাতি ধর্ম বিবাদের কথা বাড়ছে, মানুষের মধ্যে ভালোবাসা নেই, শুধুমাত্র জাতি ধর্ম নিয়ে কথা। একে অপরের প্রতি ঝগড়া, মারামারি, হিংসা, ছোট বড় কথা বলা ধর্মের ভেদাভেদ দেখান। মানুষের শুধুমাত্র এই কাজটাই থেকে গেছে, ভালোবাসা যেন এই সবের মধ্যে থেকে হারিয়ে যাচ্ছে। তার সাথে সাথে প্রকৃতির ও সৌন্দর্য নষ্ট হচ্ছে,  প্রকৃতির সুন্দর রূপ, পবিত্রতা সব কিছু হারিয়ে যাচ্ছে। মানুষের রক্তের রং লাল, রক্তে কোনো জাতি ধর্ম তো নেই। নারী পুরুষের গঠনের মধ্যে কোনো জাতি ধর্ম নেই,
শুধুমাত্র জাতি ধর্ম রয়েছে,
মানুষের মনে,মানুষের চিন্তায়, মানুষের ভাবনায়, বিচারের, বুদ্ধি, ধারণাতে।

ঈশ্বর তো নারী-পুরুষকে নারী-পুরুষের মতোই বানিয়ে পাঠিয়েছেন।ঈশ্বর এটা  করেনি যে, হিন্দু,মুসলমান  খ্রিস্টান, জৈন,বৌদ্ধ,শিখ সবার কী শরীরের গঠন ধর্ম অনুযায়ী, তাদেরকে দেখতে কী ধর্ম অনুযায়ী, রক্তের রং   কি ধর্ম অনুযায়ী এটা করেননি ঈশ্বর তো শুধুমাত্র নারী পুরুষকে নারী-পুরুষের মতোই বানিয়েছেন। শরীরের গঠন, মুখের আকৃতি, রক্তের রং সব তো একই রকম। শুধুমাত্র মানুষের মন,ভাবনা, চিন্তা, ধারণা, বিচার, বুদ্ধি একই রকম নয়। তার জন্য এই জগতে চারিদিকে জাতি ধর্ম নিয়ে ছড়াছড়ি, মানুষ ভালবাসতে শেখেনি শুধুমাত্র একে অপরের প্রতি নিন্দা, শত্রুতা,হিংসা,ঝামেলা, মারামারি। এটাই তাদের মধ্যে জন্ম নিয়েছে,

কিন্তু জগতে কিছু কিছু ভালো মানুষ ও আছে, যাদের মধ্যে জাতি ধর্ম নিয়ে কোন ভেদাভেদ নেই। তারা শুধুমাত্র ভালোবেসে সবাই এক হয়ে বাঁচতে চায়। তাদের জন্য এই প্রকৃতি,জগৎ  এখানো ও পবিত্র ও সুন্দর হয়ে রয়েছে। প্রকৃতি সবাইকে বাঁচতে শেখায়, সবাই যেন ভালো মানুষ হয়ে বেঁচে থাকতে পারে। ভালোবাসার মধ্যে দিয়ে এটাই প্রকৃতির মূল উদ্দেশ্য।

প্রকৃতি আমাদের কে শেখায় মানুষ মানুষের জন্য বাঁচা,ভালোবাসা, প্রকৃতির সৌন্দর্য কে রক্ষা করা, এটাই মানুষের অধিকার। মানুষের প্রতি মানুষের ভালোবাসা তৈরি করা, মানুষের প্রতি মানুষের সম্মান,নারী ও পুরুষ হলো প্রকৃতির দান। নারী পুরুষের প্রতি নারী পুরুষের সম্মান, ভালোবাসা এটাই নিয়ে প্রকৃতি সম্পূর্ণ হয়েছে। তাই নারী-পুরুষকে ও প্রকৃতি কে সম্মান করা দরকার। জাতি ধর্মের ভেদাভেদ না করে, নারী পুরুষকে এক সঙ্গে থাকা দরকার। এই প্রকৃতির জগতের নারী-পুরুষ সবার কাছে শিক্ষা জ্ঞান আছে, এখানে শিক্ষার ভাগটা বেশি আরো অশিক্ষার ভাগটাও আছে। কিন্তু শিক্ষার ভাগটা বেশি, নারী-পুরুষকে বুঝে নিতে হয় যে,আমরা সবাই শিক্ষিত। আমাদেরকে এক হয়ে বাঁচতে হবে। যাতে আমরা এই পৃথিবীতে এই জগতে প্রকৃতিতে, সুন্দর পরিবেশে ভালোভাবে বেঁচে থাকতে পারি। এই জগতের প্রতিটা মানুষজন ঈশ্বরের দান, প্রকৃতির দান, একে কখনো  করো না তোমরা অসম্মান।

Nature
প্রকৃতি

এই ঈশ্বরের দানকে আমাদের শ্রদ্ধা ভালোবাসা করা দরকার। ঈশ্বর আমাদেরকে এই যে জীবনটা দিয়েছেন, সেটা আমাদেরকে ভালো কাজে, সঠিক পথে, সবাইকে নিয়ে ভালোবাসার মধ্যে দিয়ে, সবার সাথে ভালোভাবে সম্পর্ক তৈরি করার দরকার। এই সুন্দর প্রকৃতিতে সবাই মিলে একসঙ্গে বেঁচে থাকা দরকার,খোলা আকাশের নিচে নিঃশ্বাস নেওয়া। হিংসা, মারামারি, ঝগড়া, জাতি ধর্মের কথা ভুলে গিয়ে সবাই মানুষ হয়ে বেঁচে থাকা দরকার  নারী ও পুরুষের মধ্য ভেদাভেদ না করে, কেবলমাত্র একে অপরকে সাহায্য করা, এই জগতের এই পৃথিবীতে এই প্রকৃতিতে সবাইকে সুন্দরভাবে বেঁচে থাকা দরকার, জাতি ধর্মের, নারী পুরুষের ভেদাভেদ না করে। শুধুমাত্র মানুষ হয়ে বেঁচে থাকা দরকার। আমরা যে এই পৃথিবীতে এসেছি আমাদের কাছে এটা পরম সৌভাগ্য। আমরা মানুষ রূপে নিজেকে পেরেছি, এটা একটি অমূল্য সম্পদ। একে ভালো কাজে লাগানো দরকার আর আমরা সবাইকে ভালোবেসে ঈশ্বরের  আশীর্বাদ নিয়ে সুখে থাকা দরকার। প্রকৃতির সৌন্দর্য কে আপন করে, ভালোবেসে সবাইকে একসঙ্গে বেঁচে থাকা দরকার, ঈশ্বরের কাছে এই প্রার্থনা করি যে,এই প্রকৃতিতে পৃথিবীতে সবাই ভালো মানুষ হয়ে,জাতি ধর্ম নারী পুরুষের কোন ভেদাভেদ না করে। ঈশ্বরের আশীর্বাদ নিয়ে আমরা সবাই যেন সুখে থাকতে পারি, প্রকৃতি কে আপন করে।

No comments:

Post a Comment