Feelings and Experience with Life and Nature

Popular Posts

Saturday, July 27, 2019

Sami Stri samparko | স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক


sami-stri
স্বামী-স্ত্রীর

স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক 


স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক হল অতি গভীর অতি মধুর ভালোবাসা বিশ্বাস দিয়ে ঘেরা। স্বামী-স্ত্রীর  সম্পর্কটা এমন যে এই সম্পর্কের সাথে কোনো সম্পর্কের তুলনা করা যায় না।  স্বামী স্ত্রী সম্পর্ক হল দুটি আত্মার মিলন,দুটি শরীরের মিলন, দুটি মানবজাতির মনের মিলন, একটি নতুন সংসার তৈরি করা, দুটি মানুষের অন্তরের মিলন। স্ত্রীর প্রতি স্বামীর বিশ্বাস আর স্বামীর প্রতি স্ত্রীর বিশ্বাস বজায় রাখা। একে অপরের সুখে-দুঃখে সঙ্গে থাকা, স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের মধ্যে কোনো কিছু গোপন না রাখা। বিপদে-আপদে সবদা পাশে থাকা। স্বামী স্ত্রী দুজন দুজনকে মেনে চলা, দুজন দুজনকে সব কথা বলা, স্বামী স্ত্রী দুজন দুজনকে নিজের সংসারকে ভালোবাসা দিয়ে ভরিয়ে সুখের সংসার গড়ে তোলা দরকার। স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ককে সম্মান করা দরকার, সারা জীবন স্বামী তার স্ত্রীকে আর স্ত্রী তার স্বামীকে ভালোবাসা দিয়ে ভরিয়ে রাখা দরকার। দুজন দুজনকে স্বামী স্ত্রীর মর্যাদা দেওয়া দরকার। স্বামী স্ত্রী রূপে দুজন দুজনকে স্বীকার করা দরকার। মন থেকে মেনে নেওয়া দরকার। একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধা, একে অপরের প্রতি ভালোবাসা, দুটি প্রাণ এক হয়ে, দুটি শরীর এক হয়ে। নতুন একটি প্রাণের জন্ম দেওয়া, নিজের সন্তানের মধ্যে স্বামী স্ত্রী নিজের ভালোবাসা আনন্দ ফিরে পাওয়া।


 একমাত্র স্বামী স্ত্রীর ক্ষমতা নিজের পরিবারকে রক্ষা করা, নিজের ছোট পরিবারকে বড় করে তোলা, আনন্দ ও সুখ দিয়ে ভরিয়ে রাখা। স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক হল পবিত্র, ঈশ্বরের আশীর্বাদ মধ্যে দিয়ে এই স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক সম্পূর্ণ হয়েছে। স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক সাত জন্মের,সাত পাকে ঘুরে ঈশ্বরের আশীর্বাদ নিয়ে দুজন দুজনকে স্বামী-স্ত্রী রুপে মেনে নেওয়া। প্রকৃতিতে স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক খুবই মূল্যবান। স্বামী স্ত্রীকে নিয়ে প্রকৃতি সম্পূর্ণ হয়েছে। স্বামী-স্ত্রীর ভালোবাসা মধ্যে দিয়ে প্রকৃতির সৌন্দর্য আরো সুন্দর হয়ে উঠেছে।

husband-wife
স্বামী-স্ত্রীর

স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কটা এমন যে একে অপবিত্র করার ক্ষমতা কারো নেই। শুধুমাত্র কিছু কিছু মহিলা আর কিছু কিছু পুরুষের জন্য এই স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কটা খারাপ পথে চলে যাচ্ছে। আবার কিছু কিছু মহিলা আর কিছু কিছু পুরুষের জন্য এই স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কটা ভালোবাসার পবিত্র মযদা বেড়ে যায়। ঈশ্বর তো তাদের কে এক অপরের জন্য বানিয়েছেন, তাই তারা  নিজেকে আজ স্বামী-স্ত্রী রুপে গ্রহন করেছে। ভালো স্ত্রীকে পাওয়া ও ভাগ্যের ব্যাপার ঠিক তেমনি ভালো স্বামীকে ও পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার। তারা দুজন দুজনকে যদি পেয়ে যায়, তাহলে তাদের বিবাহিত জীবন ধন্য হয়ে যাবে। স্বামী অধিকার শুধুমাত্র তার স্ত্রীর উপর ঠিক তেমনি স্ত্রীর অধিকার একমাত্র তার স্বামীর উপর।
কিন্তু সমাজের কিছু মহিলা আর পুরুষরা,স্বামী স্ত্রীর বিবাহিত বন্ধনকে খেলনা মনে করে। তাদের কাছে শরীরের চাহিদা খুব বেশি,তারা  নিজের স্বামী বা স্ত্রীকে নিয়ে সুখে থাকতে পারে না।তাদের শুধুমাত্র পর পুরুষ বা পর মহিলার প্রতি শরীরের চাহিদা। তারা স্বামী স্ত্রী বন্ধনে আবদ্ধ থাকতে চায় না। তাদের কাছে স্বামী স্ত্রীর বন্ধন মানে বন্দী হয়ে থাকা। তারা শুধুমাত্র নিজের স্বামী বা স্ত্রীকে ছেড়ে পর পুরুষ বা মহিলার প্রতি আকৃষ্ট হয়।তাদের দিন দিন শরীরের চাহিদাটা বাড়তে থাকে। তাই তারা অন্য পর পুরুষের প্রতি আকৃষ্ট হয়। নিজের স্বামী বা স্ত্রীকে ছেড়ে অন্যের কাছে যাওয়ার ইচ্ছা জাগে এরকম মহিলারা অন্যের ঘর নষ্ট করতে তাদের একটুও খারাপ লাগে না।  নিজের সংসার ছেড়ে অন্যের সংসারে আবদ্ধ হতে চায়। এদিকে নিজের স্বামী সংসার সন্তান ছেড়ে,অন্য পর পুরুষদের জীবন ধ্বংস করতে ভালোবাসা তারা। এরকম মহিলারা কখনো কারোর মা হতে পারে না, না কখনো কারোর স্ত্রী হতে পারে। তাদের প্রতিদান শুধুমাত্র নতুন শরীরের প্রতি চাহিদা বাড়তে থাকে। ঠিক তেমনি কিছু পুরুষদের জন্য অনেক স্ত্রী নারীদের জীবনটাও নষ্ট হয়ে গেছে।কারণ তারা কখনো কাউকে ভালবাসতে শিখিনি না কারো সাথে পরিষ্কার খোলা মন থেকে মিশতে শিখেছে।তাদের মধ্যে শুধুমাত্র স্বার্থ জন্ম নিয়েছে,তাই তারা প্রতিটি সম্পর্কের মধ্যে স্বার্থ খোঁজে। তাদের মধ্যে শরীরের চাহিদাটা খুব বেশি তাই তারা কখনো কাউকে ভালবাসতে শিখিনি।

স্বামী স্ত্রীর বন্ধনকে তারা অপবিত্র করে চলেছে। তাদের কোনো রকম নিজের পরিবারে প্রতি নিজের সংসারের প্রতি নিজের স্ত্রীর প্রতি বা স্বামীর প্রতি নিজের সন্তানের প্রতি,তাদের কোনো রকমের কোনো প্রতিদান ভালোবাসা চিন্তা ভাবনা সম্মান কিছু থাকে না।তাদের শুধুমাত্র অন্য পর পুরুষ বা অন্য মহিলাদের প্রতি তাদের আকৃষ্টতা বাড়তে থাকে।কিন্তু এর মধ্যে কিছু ভালো মানুষ ও স্বামী-স্ত্রী ও আছে। যারা শুধুমাত্র নিজের পরিবার সংসার স্ত্রী বা স্বামীকে নিয়ে নিজেদের সন্তানকে নিয়ে সুখে সংসার করতে চায়। নিজের পরিবারকে ভালোবাসায় ভরিয়ে দিতে চায়। সুখে-দুঃখে সঙ্গে থেকে একে অপরে প্রাণ হয়ে বাঁচতে চায়। নিজের স্ত্রী বা স্বামীকে সব কিছু দিয়ে রক্ষা করতে চায়। নিজের পরিবার নিজের স্ত্রী বা স্বামীকে ভালোবাসার সুখ দিতে চায়।

তাই স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক হল অন্যতম কারণ স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক থেকে পরিবারের উন্নতি হয়। স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক নিয়ে প্রকৃতি সম্পূর্ণ হয়।স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কটা এমন যে সবকিছুর মধ্যে পাওয়া যায়, পশুপাখি জীবজন্তু প্রকৃতির প্রতিটা জিনিসের মধ্যে স্বামী-স্ত্রীর রুপে সম্পর্ক আছে।যেটা প্রকৃতিকে আরো সুন্দর ও তার সৌন্দর্যকে বাড়িয়ে তুলেছে।স্বামী স্ত্রীকে নিয়ে প্রকৃতি সম্পূর্ণ পৃথিবী সম্পূর্ণ সংসার সম্পূর্ণ পরিবার সম্পূর্ণ প্রতিটি  মহিলা ও পুরুষ সম্পূর্ণ হয়েছে,নিজেকে স্বামী স্ত্রী রূপে পেয়ে।কারণ ঈশ্বর নারী পুরুষ এর আবির্ভাব করেছেন, যাতে নারী পুরুষ স্বামী স্ত্রী রূপে নিজেকে
স্বীকৃতি দিতে পারে। স্বামী স্ত্রী রুপে প্রকৃতির পরিবার নিজের পরিবার সংসারকে আরও বড় করে গড়ে তুলতে পারে।যাতে জগতের সবাই স্বামী স্ত্রী রূপে সবাই সবার মধ্যে আবদ্ধ হয়ে থাকতে পারে। পৃথিবীকে জগতকে প্রকৃতিকে সংসারকে পরিবারকে ভালোবাসা দিয়ে ভরিয়ে তুলতে পারে। এটা ঈশ্বরের অবদান মানব জাতির উপর যে, তারা নিজেদেরকে স্বামী-স্ত্রী রুপে গ্রহণ করতে পারে।

No comments:

Post a Comment