Feelings and Experience with Life and Nature

Popular Posts

Monday, July 15, 2019

Samparkr Kichu Niti | সম্পর্কের কিছু নীতি


সম্পর্কের কিছু নীতি


* সম্পর্ক হলো ইচ্ছা পূরণ, যত চাইবে তত বাড়বে, যত পাবে তত কমবে
এটাই সম্পর্কের মূল উদাহরণ। সম্পর্ক হলো পাওয়ার আশা,পেয়ে গেলে
ও সব আরো বাড়বে পাওয়ার চাহিদা।

* সম্পর্ক হলো নানা ধরনের। বাবা মায়ের, স্বামী-স্ত্রীর, ভাইবোনের, আত্মীয়রা, বন্ধু বান্ধবের,প্রেমিক-প্রেমিকার।
বাবা মায়ের সম্পর্ক হলো- সবার সেরা,
স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক হলো- ভালোবাসা দিয়ে ভরা,
ভাইবোনের সম্পর্ক হলো- যখন যেটা ইচ্ছা মনে করা সেটা পেয়ে যাওয়া,
বন্ধু বান্ধবের সম্পর্ক হলো- স্বাধীন ভাবে ঘিরে বেঁচে থাকা,
আত্মীয়র সম্পর্ক হলো- শুধু স্বার্থ দিয়ে ঘেরা ,
প্রেমিক-প্রেমিকার সম্পর্ক হলো- সঠিক ভালোবাসা কে বুঝে নেওয়া।

* সম্পর্ক হলো দুষ্ট মিষ্টি, ভালোবাসা ছাড়া সম্পর্কো হয় কী সৃষ্টি।
ভালোবাসা থাকলে হবে অতি গভীর, ভালোবাসা না থাকলে হবে
ঝামেলার সৃষ্টি। সবাই সবাইকে ভালোবাসে মন থেকে, হৃদয় থেকে
পারো যদি ভালো না বাসতে তাহলে কাউকে চেওয়া না শরীর থেকে।
কারণ শরীর টা হবে তোমার, মনটা যার তারি থেকে যাবে। না পারবে
নিজেকে ক্ষমা করতে, না পারবে মন থেকে কাউকে ভালোবাসতে।
এটাই তোমার ভাগ্য রেখা,এটাই তোমার জীবনের মূল ধারা, সবার জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলা।

Water for Birds
জল পাখিদের জন্য


* সম্পর্ক হলো প্রকৃতির দান, এটাই আমাদের কাছে খুবই মূল্যবান।
প্রকৃতি ছাড়া মানুষ কী বাঁচে, মানুষ বাঁচলে সম্পর্কে সাজে।
মানুষ হলো প্রকৃতির আধার, প্রকৃতি শেখালো মানুষকে বাঁচার অধিকার।
বাঁচাতে গেলে প্রকৃতিকে আপন করো, আর মরতে গেলে সবাইকে পর করো। এটাই সম্পর্কের মূল অধিকার।

* সম্পর্ক হলো ভালোবাসায় দিয়ে ঘেরা, সত্যি ভালোবাসা থাকলে হয়ে যাবে সবার সেরা। মনের মিলন থাকলে সম্পর্কে, এমন কোনো কিছু নেই যে বাধা দেবে তাকে। আসবে দুজনে ছুটে কাছে, জড়িয়ে ধরবে একে অপরকে।
ভালোবাসা থেকে সম্পর্ক শুরু, আর ভালোবাসা থেকেই সম্পর্ক শেষ।

* সম্পর্ক হলো জলের মতো, জলের যেমন কোনো রং নেই, আকৃতি নেই।
সম্পর্কের ঠিক তেমনি কোনো রং আর কোনো আকৃতি নেই।
জলের রং কে বোঝায় যায় না, ঠিক তেমনি সম্পর্কের রং কে ও বোঝা
যায় না। শুধুমাত্র ভালোবাসো দিয়ে বুঝে নিতে হয়।

* সম্পর্ক হলো স্বার্থহীন, কিছু কিছু মানুষ সম্পর্কের মধ্যে স্বার্থ খোঁজে,
আর কিছু কিছু মানুষ সম্পর্কের মধ্যে ভালোবাসা খোঁজে।
এটা তাদের কাছে খুবই মূল্যবান। যারা স্বার্থ ছাড়া কিছুই বোঝে না।
তাদের কাছে স্বাথহীন মানুষের কোনো কিছুর কোনো মূল্য নেই।
তারা সব কিছুতেই স্বার্থ খোঁজে, স্বার্থ ছাড়া বাঁচে থাকতে পারে না।

* সম্পর্ক হলো আলো আধার, সুখে-দুঃখে, বিপদে-আপদে,
শুধুমাত্র তাকেই খোঁজে। এমন কী তার সাথে কাঁদতে চায়,
তার সাথেই হাসতে চায়। সারাজীবন একে অপরের প্রান
হয়ে বাঁচতে চায়, নিঃশ্বাস, আত্মা, থেকে দুজন দুজনে
মিলে যেতে চায়। দুটি মানুষ এক হয়ে যেতে চায়।

* সম্পর্ক হলো ভালোবাসার স্মৃতি, ইচ্ছা, আশাভরসা, স্বাধীন
অপেক্ষা করে, সারাটি জীবন তাকেই চায়। তুমি যাকে ভালোবাসো
তাকে তুমি স্বাধীনতা দাও, মানুষ পশুপাখি নয় তুমি তাকে বন্দি
রাখবে। ঈশ্বর যদি পশুপাখি সবাইকে স্বাধীন ভাবে প্রকৃতিতে বাঁচতে
শেখায়। তাহলে এটা মানুষের ও কর্তব্য কোনো মানুষকে বন্দি করে,
রাখাটা ঠিক না। তাহলে তুমি মানুষ কী কোনো পশুপাখিকে, কাউকেই
ভালোবাসার অধিকার তোমার নেই।

* সম্পর্ক হলো পিতামাতার, পিতামাতা হলেন সবার সেরা।
এদের উপরে কেউ নেই, এরাই তোমার শুরু তোমার শেষ
এদের মেনে চলো, হবে তোমার উন্নতি বেশ।
পিতামাতার আশীর্বাদের নেই কোনো শেষ, থাকো তুমি  দেশবিদেশ।
সুখে থাকবে ভালো থাকবে, জয়ী হবে
সারা দেশ ।

* সম্পর্ক হলো স্বামী-স্ত্রীর ভালোবাসা, আশাভরসা, ইচ্ছা,চাওয়া-পাওয়া 
জীবনের প্রতিটি জিনিস দিয়ে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কে ভরিয়ে তোলা।
স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক ঈশ্বরের  দান, করো না কখনো একে অসম্মান।
স্ত্রীর কাছে স্বামীর আশীর্বাদ, ভালোবাসার খুবই মূল্যবান। এটা
তোমার সৌভাগ্য পেয়েছো এমন দান। কিন্তু স্ত্রী যদি স্বামীকে অসম্মান
করে, তার কোনো দিন ঠাই হবে না সুন্দর প্রকৃতিতে। না পারবে প্রকৃতি তাকে আপন করে নিতে। একমাত্র স্বামী পারবে নিজের স্ত্রীকে সব কিছু থেকে রক্ষা করতে। স্বামীর কর্তব্য স্ত্রীকে ভালোবাসা দিয়ে ভরিয়ে রাখা। স্বামী যদি না পারে স্বামীর ও কোনো ঠাই নেই এ সংসারে। স্বামী-স্ত্রীকে একে অপরের প্রতি বাঁচা দরকার, একে অপরকে ভালোবাসা সুখের সংসার তৈরি করা দরকার। স্বামীর ভালোবাসায় একমাত্র স্ত্রীর অধিকার আর স্ত্রীর ভালোবাসায় শুধুমাত্র স্বামীর অধিকার।

* সম্পর্ক হলো মা ও সন্তানের, জন্ম তো সবাই দেয়, কিন্তু মা কয়জন
হতে পারে। নিজের সন্তানকে ভালোবাসা,স্নেহ, আদর দিয়ে তাকে
আগলে রাখা। সন্তানকে মায়ের কথা মেনে চলতে হয়, সন্তান ছাড়া
মায়ের কোনো অস্তিত্ব নেই আর মা ছাড়া সন্তানের কোনো অস্তিত্ব নেই।
যে মায়ের নিজের সন্তানকে ভালোবাসে না, সেই মাকে ঈশ্বর কোনো
দিন ও ক্ষমা করে না। একটি স্ত্রীর কাছে তার স্বামী তার সন্তান সবার
আগে, স্ত্রী যদি তার মূল্য না দিতে পারে, প্রকৃতি আর ঈশ্বর তাকে
কখনো ক্ষমা করে না। কারণ স্বামী-স্ত্রী তাদের সন্তান নিয়ে তাদের
সুখের সংসার, ভালোবাসা সম্পূর্ণ হয়।

No comments:

Post a Comment