Feelings and Experience with Life and Nature

Popular Posts

Saturday, October 5, 2019

Dui bandhobi | দুই বান্ধবী


দুই বান্ধবী


গল্পটি হচ্ছে দুই বান্ধবীর তারা দুজনে খুব ভালো প্রিয় বান্ধবী ছিল। তাদের দুজনের নাম ছিল ফিজা আর রিনা। তাদের বন্ধুত্ব ছিল প্রায় ছোটবেলা থেকে ক্লাস ফাইভ থেকে তাদের বন্ধুত্ব শুরু হয়েছিল। একসাথে স্কুলে যাওয়া আসা করা একই জায়গায় টিউশনি যাওয়া। দুজনের বাড়ি ছিল প্রায় খুব কাছাকাছি। তারা দুজনে যেমন ঝগড়া করত ঠিক তেমনি তাদের মধ্যে ভালবাসার সম্পর্ক ও ছিল। তারা দুজন দুজনের প্রিয় বান্ধবী ছিল। দুজনে যেখানে যাবে একসাথে যা কিছু করবে সব একসাথে স্কুল গেলে এক বেঞ্চে বসবে আর টিউশন গেলে ও জায়গায় বসবে। তারা দুজন দুজনের কাছে কোন কথা লুকাতো না যে কোনো রকমের কথা হোক না কেন তারা দুজন দুজনকে না বলে থাকতে পারতো না। দুজন খুবই বদমাইশ ছিল তাদের মধ্যে বদমাইশি অনেক বেশি ছিল, শুধুমাত্র সারাদিন মজা করবে স্কুলে গিয়ে সবার পিছনে লাগবে। কিন্তু দুজনই পড়াশোনায় খুব ভাল ছিল। পড়াশোনার সময় মন দিয়ে পড়াশোনা করত আর বদমাইশি সময় মন দিয়ে বদমাইশি করত। তাদের দুজনকে সবাই দুই বান্ধবী হিসেবে চিহ্নিত স্কুলে না যাওয়ার হলে দুজনে একসাথে স্কুল ছুটি করত টিউশন একসঙ্গে ছুটি করত। তাদের দুজনকে স্কুলের স্যার ম্যা আর টিউশনের স্যার দুই বান্ধবী হিসেবে চিহ্নিত। দুজনের মধ্যে ঝগড়া হলে স্কুলের স্যার ম্যা এবং টিউশনে স্যার বুঝতে পারত যে ওদের দুজনের মধ্যে ঝগড়া হয়েছে। দুজনের বাড়িতেও সবাই বুঝতে পারতো এমনকি পাড়ার লোকেরা বুঝতে পারত যে দুজনের মধ্যে নিশ্চয়ই কোন ঝামেলা হয়েছে। কারন ঝগড়া হলে দুজনের কেউ কারো জন্য অপেক্ষা করতো না যে যার মত একা একা স্কুলে চলে যেতে টিউশন ও একা একা চলে যেত যে যার মতন ঝগড়ার সময় কেউ কোনদিন এক সঙ্গে এক জায়গায় বসতো না কেউ কারো সাথে কথা ও বলত না। আবার বেশি দিন কথা না বলে ও থাকতে পারতো না, কিছুদিন পরেই আবার সব ঠিক হয়ে যেত।

আবার একসঙ্গে থাকা স্কুলে একসাথে যাওয়া আসা টিউশনে একসাথে যাওয়া আসা একসাথে খাওয়া-দাওয়া করা সবকিছু একসঙ্গে করত। রিনার বাড়িতে ফিজাকে সবাই খুব ভালোবাসতো রিনার বাবা-মা দিদি দাদা সবাই ভালোবাসতেো, রিনাদের বাড়িতে কোনো অনুষ্ঠান হলে রিনা নিজে গিয়ে ফিজা কে ওদের বাড়ি থেকে নিয়ে আসত। ঠিক তেমনি ফিজার মা-বাবা রিনাকে ও খুব ভালবাসতো আর ফিজার  বাড়িতে কোনো অনুষ্ঠান হলে ফিজা ও রিনা কে গিয়ে নিয়ে আসত। কিন্তু ঝগড়া যখন হত তখন দুজনের মধ্যে কেউ কারোর বাড়িতে যাওয়া আসা করত না  বলে বাড়ির লোক বুঝতে পারত, যে দুজনে ঝামেলা করেছে। ঝামেলা ঠিক হয়ে গেলে আবার বাড়িতে আসা যাওয়া হতো। স্কুলে টিউশনে একসাথে যাওয়া আসা করত, দুজনে খুব বদমাইশ ছিল কিন্তু একটু বেশি মজা করত ফিজা আর রিনা ও তার সাথে করত। কিন্তু তারা যত মজা করুক না কেন গুরুজনের প্রতি তাদের সম্মান থাকত। তারা কখনো কাউকে অসম্মান করতো না কিন্তু নিজেদের বয়সের সবার সাথে মজা করতো আর সবার পিছনে লাগতো।

"ছোটবেলার দিনগুলো হয় এমন না বোঝা কাজ করে যাই যেমন তেমন"

তারা দুজন সাইকেল চালাতে খুব ভালোবাসতো। তাই স্কুলে যেত সাইকেলে করে আর টিউশন যেত হেঁটে, কারণ একসাথে হেঁটে হেঁটে গল্প করতে করতে টিউশন যাবে। দুজনের আলাদা সাইকেল ছিল রিনার সাইকেল একটু পুরনো ছিল আর ফিরে সাইকেল নতুন ছিল। তারা দুজন সাইকেল চালাতে খুব ভালোবাসত দুজনে সাইকেল চালিয়ে যেখানে ইচ্ছা সেখানে চলে যেত। প্রতিদিন ফিজা  স্কুলে যাওয়ার সময় একটু তাড়াতাড়ি তৈরি হয়ে সময়মতো রিনাদের বাড়ি চলে আসত কারণ রিনা একটু দেরি করত বলে ফিজা ওদের বাড়ি তাড়াতাড়ি চলে আসত সব সময়। স্কুল যাওয়ার সময় হলে টিউশন যাওয়ার সময় হলে বা অন্য কোথাও যাওয়ার সময় হলে সব সময়  ফিজা রিনার তৈরি হওয়ার আগেই রিনাদের বাড়ি চলে আসত। তারপর রিনা তৈরি হয়ে দুজনে সাইকেল নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়তো। তারা দুজন প্রতিদিন স্কুলে থেকে বাড়ি ফেরার সময় তাদের একটা প্রিয় জায়গা ছিল তারা দুজন সেখানে  এসে সাইকেল থেকে নেবে সাইকেল রেখে তারা দুজন 10 মিনিট সেখানে বসে জল খেয়ে আবার সাইকেল করে বাড়ি চলে আসত। তারা দুজন প্রতিদিন স্কুল থেকে বাড়ি ফেরে সময় ওই জায়গায় এসে বসত ওইটা ছিল তাদের প্রিয় জায়গা। আবার যখন দুজনের মধ্যে ঝগড়া হত তখন ওই জায়গায় দুজনের মধ্যে কেউ যেত না সেখানে। ঝগড়া মিটে গেলে আবার দুজনে একসাথে সেখানে যেত।

green-grass
সবুজ ঘাস

তারা দুজন সবুজ ঘাসের উপর বসতে খুব ভালোবাসতো তাই তারা ওই জায়গায় এসে প্রতিদিন বসত। স্কুল যদি কোন দিন একটু তাড়াতাড়ি ছুটি দিয়ে দেয়। তাহলে ওরা সেদিন খুব খুশি হত। খুসি হওয়ার কারণ ছিল স্কুল থেকে বেরিয়ে সাইকেল করে তারা অনেক দুরে চলে যেত বেড়াতে যতদুর ইচ্ছা তত দুরে। আবার ঠিক সময়মতো বাড়ি ও চলে আসতো।
যদি কোনদিন রিনার সাইকেলে কোন অসুবিধা হত তাহলে ফিজার সাইকেলে দুজন একসাথে স্কুলে চলে যেত। যেখানে যেত একসাথে কেউ কাউকে একা রেখে কোথাও যেতো না এমনকি যদি কিছু কেনাকাটা ও করতে হয় তাও দুজন একসাথে যাবে যা কিনবে দুজন একই রকম আর একই রকম না যদি থাকে তাহলে ফিজা রিনা কে পছন্দ করে দেবে আর রিনা ফিজা কে পছন্দ করে দেবে কিন্তু যা নেবে দুজন দুজনের পছন্দের জিনিস নেবে। তাদের বাড়ি থেকে যদি কোথাও কেউ যেত সেখানেও দুজন একসাথে যাবে। দেখতে দেখতে তারা দুজনে মাধ্যমিক পাস করল ভালো নাম্বারে। তারপর দুজন উচ্চমাধ্যমিকে  ভর্তি হবে বলে একই স্কুলে গেলো তাদের বিষয়েও একই ছিল রোল নাম্বার ও পর পর ছিল। তারা দুজন একই জায়গায় টিউশন পড়তে যেত  স্কুলে গিয়ে খুব মজা করত আবার মন দিয়ে পড়াশোনা করত। বর্ষার সময় যখন বৃষ্টির দিনে বৃষ্টি হতো তখন ওদের মজাটা আরো বেড়ে যেত কারণ সাইকেলে করে স্কুলে যাওয়ার সময় বৃষ্টিতে যদি একটু ভিজে যেত তাহলে সেদিন স্কুলে গিয়ে নিজেকে জল দিয়ে আরো ভিজিয়ে নিত। কারণ যারা বৃষ্টিতে বেশি ভিজে যেত সেদিনকে তাদের কে একটু তাড়াতাড়ি ছুটি দিয়ে দিত স্কুল থেকে তাই জন্য ওরা দুজনে এই কাজটা করতো। স্কুল থেকে তাড়াতাড়ি বেরিয়ে সাইকেল নিয়ে তারা অনেক দূরে সাইকেল চালাতে চালাতে চলে যেত। বৃষ্টির দিনে তারা দুজন সুযোগ পেলেই এই কাজটা করতো এই কাজটা করার সময় ওরা খুব মজা করত খুব আনন্দ করত। এই মজাটা ওরা শুধুমাত্র বৃষ্টির দিনে করতে পারতো।
কারণ অন্য দিনগুলিতে স্কুল থেকে বেরিয়ে যাওয়া বা ছুটি নেওয়ার সম্ভাব হতো না। কোনো রকমের কোনো সুযোগ ও পেত না শুধুমাত্র বৃষ্টির দিন ছাড়া আবার কখনো ঠিক সময় সুযোগ পেলে স্কুল থেকে বেরিয়ে পরতো। একদিন দুজনে মিলে এমন একটা জায়গায় গিয়েছিল ওরা কোনদিনও ভাবিনি যে ওই রকম জায়গায় যেতে পারবে। সেদিন স্কুল একটু তাড়াতাড়ি ছুটি দিয়ে দিল দুইজনের খুব আনন্দ হচ্ছিল অনেকদিন পর ওরা  তাড়াতাড়ি বেরিয়েছে আর স্কুল থেকে ছুটি দিয়েছে। সাইকেল নিয়ে স্কুলের গেট থেকে বেরিয়ে তারা বাইরে আসল রিনা বলল ফিজা কে  ঝালমুড়ি কিনে নিতে কোন এক জায়গায় গিয়ে দুজনে বসে খাবে ফিজা ঝালমুড়ি কিনে নিয়ে ব্যাগে রাখল।

way
রাস্তা

দুজন সাইকেল চালিয়ে বেরিয়ে পড়ল অনেক দূরে যাওয়ার পর একটা সুন্দর রাস্তা দেখতে পেল। সেখানে একটা বসার জায়গা ছিল তার পাশে বড় একটা পুকুর ও ছিল চারিদিকে গাছপালা ভর্তি।

seating-place
বসার জায়গা

রিনা বলল হ্যাঁরে ফিজা জায়গাটা খুব সুন্দর বল চল ওখানে গিয়ে বসি দুজন সেখানে গিয়ে সাইকেলটা সাইট করে রাখল। খুব সুন্দর বসার জায়গা ছিল পাশে বড় একটা পুকুর চারিদিকে গাছপালার ছায়া পুকুরের ঠান্ডা জলের হাওয়া তাদেরকে মুগ্ধ করে দিচ্ছিল। সেই জায়গাটায় কোন লোকজন কে আসতে যেতে দেখলো না তারা। একদম নিস্তব্ধ পরিবেশ তাদের ওখানে বসতে খুব ভালো লাগল ছিল। রিনাকে ফিজা বললো এই ঝাল মুড়ি বার কর ব্যাগ থেকে খাবি না? রিনা বলল হ্যাঁরে খাব? দাঁড়া বের করছি ব্যাগ থেকে। তারপর দুজন ঝালমুড়ি খেতে শুরু করল কিন্তু তারা এটা ভাবলো না যে তারা কোথায় এসেছে কারণ সেখানে একটাও লোকজন ছিল না শুধুমাত্র তারাই ছিল। তাদের ওই পরিবেশটা খুব ভালো লাগছিল চারিদিকে গাছপালার ছায়া খুব সুন্দর বসা জায়গা সামনে বড় পুকুর  সুন্দর হাওয়া বই ছিল।

pond
পুকুর

তারা বুঝলো না যে তারা কোথায় এসে বসেছে এটাও ভাবলো না যে তারা কোন জায়গা আছে। কতদুরে আছে জায়গার নাম কী? দুজনে গল্প করছে আর ঝালমুড়ি খাচ্ছে সুন্দর পরিবেশে বসে নিশ্বাস নিচ্ছে।

ফিজা বললো ওই দেখ রিনা পাশে একটা গাছের তলায় কিছু চাই পড়ে আছে।

ash
চাই

রিনা বলল ছাড় না চাই পড়ে আছে আমাদের কী? এখনে বসে থাকতে খুব ভালো লাগছে ছাড় ও সব। তখন বাজে প্রায় 1:30 সেখানে একটা লোকের যাতায়াত ছিল না। গাছের ছায়া বসার সুন্দর জায়গা  সামনে বড় পুকুর সবমিলিয়ে জায়গাটা খুব সুন্দর লাগছে। দুজন মিলে খুব মজা করলো ঝালমুড়ি মজা করে খাচ্ছিল হঠাৎ খেতে খেতে রিনার চোখ গেল গাছের ডালে সেখানে একটা বোর্ড ঝুলে ছিল। বোর্ডে লেখা ছিল শ্মশান, রিনা বলল এই ফিজা গাছে বোড ঝুলে আছে তাতে কি লেখা আছে দেখ একবার, ফিজা বলল কি লেখা আছে বলতে পারছিস না বল কি লেখা আছে আমাকে দেখতে হবে তুই দেখেছিস যখন মুখ থেকে বলতে পারছিস না যে কি লেখা আছে। কীরে বল কি লেখা আছে? রিনা বলল তুই দেখ একবার তারপর ঝালমুড়ি খা। ফিজা বললো আমি জানি তুই বলবি না আমাকেই দেখতে হবে শেষ পর্যন্ত কী লেখা আছে। ফিজা বোর্ডের দিকে তাকিয়ে দেখল যে শ্মশান লেখা আছে। ফিজা বললো রিনা আগে চল এখান থেকে আর বসতে হবে না তাড়াতাড়ি পালা রে। রিনা বললো চল ফিজা তাড়াতাড়ি বেরিয়ে পড়ি এখান থেকে  কারণ দুটো বাজতে যাচ্ছে এখানে এই সময় বসে থাকাটা ঠিক হবে না। আমরা এতক্ষন না জানায় বসেছিলাম এখন জেনে গেছি এখন বসলে বিপদ হতে পারে। একটাও লোক নেই এখানে কোনো লোকজনের আসা যাওয়া নেই। এখান থেকে চল তাড়াতাড়ি বেরিয়ে পড়ি এখানে আর বসা ঠিক হবে না। এই বলে তারা দুজন ওখান থেকে তাড়িয়ে চলে আসল।

সেদিন তারা এক টানা বাড়ি চলে এসেছিল তারা আর কোথাও দাঁড়ালো না। তারা দুজন খুব ভয় পেয়ে গিয়েছিল সেদিন। একঘন্টা ওখানে বসে ছিল এক ঘন্টার পর বুঝল যে ওরা শ্মশানে বসে আছে। বাড়ি এসে তারা দুজন খুব হাসতে লাগল এই সব কথা মনে করে। ফিজা বলল আজ আমরা অনেক বাঁচা বেঁচে ছি রে। তারপর  বাড়ি এসে কেউ কারোর বাড়িতে এই বিষয় নিয়ে কোনো কথা বলল না। এটা তাদের কাছে একটা মনে রাখার মতো দৃশ্য ছিল। এই ঘটনা টা তারা কোনদিন ভুলতে পারবে না তারা দুজনে এই কথাটা মনে করে শুধু হাসতো। এরপর তারা উচ্চ মাধ্যমিক পাস করলো এবার তারা কলেজে ভর্তি হবে। একই কলেজে একই বিষয় নিয়ে বিএ পাস করবে, একি জায়গা টিউশন যাবে। তারা  কলেজে ও যেতো সাইকেল নিয়ে তারা বেশিরভাগ জায়গায় সাইকেল নিয়ে  যেতে ভালোবাসতো। তারা যত বড় হতে লাগলো আস্তে আস্তে তাদের বদমাইশি খেয়াল কমতে লাগলো,

ground
কলেজ মাঠে 

 কিন্তু প্রথম বছরে তারা কলেজে একটু মজা করত ক্লাস ফাঁকি মেরে কলেজ মাঠে বসে আড্ডা মারা গল্প করা। নতুন নতুন কলেজে ভর্তি হয়ে তাদের খুব ভালো লাগছিলো। এই গুলি ঠিক সবার মধ্যেই থাকতো কারণ কলেজের প্রথম বছর সবাই একটু চাই ক্লাস ফাঁকি মেরে গল্প করা আড্ডা মরা। দুই বান্ধবী কলেজের প্রথম বছর একটু ফাঁকি মরে ছিল। কিন্তু পড়াশোনার সময় মন দিয়ে পড়াশোনা করত। দেখতে দেখতে প্রথম বছর শেষ হলো ওরা কলেজে পুরোনো হয়ে গেলে। এরপর দ্বিতীয় তৃতীয় বছর শেষ হলো দুজনে তিন বছরের মধ্যে বিয়ে পাস করে নিল। এরপর ফিজা ওখান থেকে অন্য জায়গায় চলে আসলো কারণ ফিজার বাবা চাকরি করতো বলে চাকরিসূত্রে যেতে হতো। তাই ফিজা আর তার মা এবং তার বাবা সাথে ওখান থেকে অন্য জায়গায় চলে আসলো। রিনা সেখান থেকে গেল কারণ  ওখানে তাদের পুরনো বাড়ি ছিল রিনার পরিবারের সবাই একসাথে থাকতো তার জন্য  রিনা সেখান থেকে গেল। আর ফিজা বাবা-মায়ের সাথে চলে আসলো ওখান থেকে। কিন্তু তাদের বন্ধুত্ব আজও পর্যন্ত বেঁচে আছে দুজনের ফোনে খুব ভালো ভাবে কথা হয় এখনো পর্যন্ত তাদের মধ্যে কোনো কথা লুকিয়ে থাকে না সব কথা দুজনে একে অপরকে সাথে এখনো পর্যন্ত বলে। এটাই হচ্ছে তাদের সুন্দর বন্ধুত্ব আবার ফিজা মাঝে মাঝে তার বাবা-মায়ের সাথে রিনাদের বাড়ি যেতে রিনার সাথে দেখা করতে।  এখনো দুজনের মধ্যে কারো বিয়ে হলো না। দুজন দুজনকে শুধু এই কথা বলে তুই আগে বিয়ে কর তারপর আমি করবো। তারা যখন স্কুলে পড়তো তখন তারা দুজন এই কথাটা বলে রেখেছিল যে নিজেদের ছেলে মেয়ের সাথে একে অপরের বিয়ে দেবে। আজও পর্যন্ত তাদের বন্ধুত্ব সুন্দরভাবে ভালোবাসায় পরিপূর্ণ হয়ে আছে। এখনো তারা সেই শ্মশানের কথা মনে করে হাসে। দেখা যাক ভবিষ্যতে তাদের বন্ধুত্বের সম্পর্ক কেমন থাকে আর তাদের কী চিন্তা ভাবনা থাকে।


No comments:

Post a Comment